ঢাকা মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২

Popular bangla online news portal

বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিদিন যুদ্ধ করতে ভালো লাগে না ঃ তাজুল ইসলাম


নিউজ ডেস্ক
১৬:০৯ - বুধবার, আগস্ট ৩১, ২০২২
বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিদিন যুদ্ধ করতে ভালো লাগে না ঃ তাজুল ইসলাম

বঙ্গবন্ধু হত্যার নীলনকশা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান করেছিল বলে দাবি করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম। 

তিনি বলেন, তার দল এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র করছেন। বিএনপির বিরুদ্ধে প্রতিদিন যুদ্ধ করতে ভালো লাগে না জানিয়ে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে শেষ যুদ্ধের দাবি করেন তিনি।

বুধবার (৩১ আগস্ট) জাতীয় সংসদে ১৪৭ বিধির ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তাজুল ইসলাম বলেন, এখনো পাকিস্তানি প্রেতাত্মা ও জিয়াউর রহমানের দল স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে নেওয়ার। একসময় সেনাবাহিনীর সাহায্যে এই বাংলাদেশের মানুষকে বোকা বানিয়ে ক্ষমতা নিয়েছিলেন। সেই দিন শেষ, আর কোনদিন সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না।

বিএনপিকে শেখ হাসিনার কাছ থেকে বুদ্ধি নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, আপনারা বিদেশিদের কাছে যান, ধরনা দেন, বিদেশিরা আপনাদের ক্ষমতায় বসাবেন। আপনারা বাংলার জনগণের কাছে যান, আর যদি না পারেন দলবল নিয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আসেন। বলেন যে, নেত্রী দলের তো এই অবস্থা, কী করলে ভালো হবে দেশের। নেত্রী ঠিকই আপনাদের সুবুদ্ধি দেবে, ভালো বুদ্ধি দেবে। আপনারা সেই মতো চলেন, দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।

দলীয় সভাপতির কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা (বিএনপি) যা শুরু করেছেন। আমার মনে হয় আমাদের নেত্রী নির্দেশ দেওয়া উচিত, প্রত্যেক দিন যুদ্ধ করতে আর ভালো লাগে না। একটা শেষ যুদ্ধের খবর দেন, এই যুদ্ধে হয় তারা থাকবে, না হয় আমরা থাকব এই দেশে। আর কোনো বিকল্প নাই। প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করতে আর ভালো লাগে না। তাদের বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া যায় না, আমার মনেহয় নতুন প্রজন্মসহ সবাই মিলে এই কাজটা এখনই করা উচিত।

পাকিস্তান আমলে জিয়াউর রহমান দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ে কর্মরত ছিলেন দাবি করে তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে তার দহরম-মহরম ছিল। সেই সুবাদে, দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক চক্রান্ত মিলিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার নীলনকশা করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সকালের সেনানিবাসের ঘটনাবলী উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাধারণত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্যারেড-পিটি করে না। তারা সাধারণত আট-নয়টায় দিকে অফিসে যায়। কিন্তু সেদিন জিয়াউর রহমান এত ভোরে কেন প্রস্তুত হচ্ছিলেন। কারণ তিনি সজাগ ছিলেন, সারারাত জেগে অপারেশনটা মনিটর করেছিলেন। অপারেশন সফল হওয়ার সেভ করে রাজার হালে অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।