ঢাকা শুক্রবার, অক্টোবর ৭, ২০২২

Popular bangla online news portal

হানিফ পরিবহন বন্ধের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মানববন্ধন


নিউজ ডেস্ক
৬:০২ - শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২২
হানিফ পরিবহন বন্ধের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মানববন্ধন

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে  ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামী মোঃ হানিফের ‘হানিফ পরিবহন’ বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করেছে ছাত্রলীগ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের আহবায়ক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সম্পাদক এস এম রাসেল আহমেদ জানান, এই হানিফ পরিবহনের নামে মানুষের কাছ থেকে টাকা আয় করে তারা সরকারের বিরুদ্ধে, দেশের বিরুদ্ধে, জনগণের বিরুদ্ধে ব্যয় করছে। যেহেতু হানিফ মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী তাই হানিফ পরিবহন'র মালিক মো হানিফ দেশে ফিরে এসে আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত হানিফ পরিবহন সড়কে চলতে দেওয়া হবে না।’ হানিফ পরিবহনের কোনো বাস সড়কে চলতে পারবে না।


তিনি বলেন, আমরা ৪০ বছর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপরিবারে হত্যা'র বিচার পেয়েছি যদিও বিদেশীদের আশ্রয় প্রশ্রয় এর জন্য পুরোপুরি কার্যকর হয়নি এখনো। যারা ১৫ আগষ্ট প্রাণের নেতাকে হত্যা করেছিল, ঠিক সেভাবেই তারা সেই আগষ্ট মাসেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার নীল নকশা করেছেন। এবং ৭৫ এর ১৫ আগষ্টের একই সূত্রে গাথা ২০০৪ এর ২১ শে আগস্ট এর নারকীয় হত্যাকাণ্ড ও বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগনের আস্থা ও ভরসার শেষ ঠিকানা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টাকারী ও আইভি রহমান সহ সকল শহীদের হত্যাকান্ডের আসামীদের এখনো এ দেশে কীভাবে ব্যবসা চলে? তাদের ব্যবসা চলতে দেওয়া যাবে না তাই এই হানিফ পরিবহন নিষিদ্বের দাবি জানাই আমরা। 
তাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোহাম্মদ হানিফের নামে চলা হানিফ পরিবহন বন্ধের দাবি জানিয়ে অবিলম্বে এদের রুট পারমিট বাতিল করার জোর দাবি জানাই।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া গ্রেনেড হামলায় স্বজনহারা আরিফ হাসান বলেন, সেদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা কে, চেষ্টা করেও আল্লাহর রহমতে তারা হত্যা করতে পারেনি। কিন্তু সেদিন নেত্রী বেঁচে গেলেও বাঁচতে পারেনি আমার ফুফুসহ আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী।

তিনি আরও বলেন, তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে আমার ফুফু ছিলেন ঢাকা ক্যান্টমেন্ট ১৫ নং ওয়ার্ডের মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগ'র নিবেদিত প্রাণ একজন কর্মী।

২০০৪ থেকে ২০২২ এই ১৮ বছরের মতো দীর্ঘ সময়ে, আজও সেই স্বজন হারানোর কষ্ট বুকে নিয়ে বয়ে বেড়াচ্ছি... সবারই সবাই বেঁচে আছে, কিন্তু বেঁচে নেই আমার ফুফু। তাই ১৫ই আগষ্ট ও ২১শে আগষ্টের নির্মম ঘটনার জন্য, রাজাকারদের বিচার দাবি করছি।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক এস এম রাসেল আহমেদ নেতৃত্বে আন্দোলনে আছেন মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের নিজাম উদ্দিন নোভেল, ছাত্রলীগ নেতা আরিফ হাসান, ইমন, সুমন, ইভান, অপুর্ব, বাবু সহ আরও অনেকে।