ঢাকা বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২

Popular bangla online news portal

সচিবালয় দিতে পারলে ইভিএম ১৫০ আসনে , না পারলে ৭০-৮০


নিউজ ডেস্ক
১০:০৯ - রবিবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২
সচিবালয় দিতে পারলে ইভিএম ১৫০ আসনে , না পারলে ৭০-৮০

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, যদি সচিবালয় যথাসময়ে দিতে পারে তাহলে ১৫০টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে। আর যদি সচিবালয় দিতে না পারে তাহলে ৭০-৮০টি আসনে ইভিএমে ভোট হবে। 

রোববার (০৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্থানীয় কিংবা জাতীয় নির্বাচনে আগে যেখানে ব্যবহার হয়েছে, সেসব এলাকায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৭০-৮০টি এবং সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে এই ভোটযন্ত্র ব্যবহার করা হবে।

মো. আলমগীর বলেন, সর্বোচ্চ ১৫০টি আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এজন্য নতুন প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ইভিএম কেনার বিষয়টা কমিশনের না। ইসি সচিবালয় দেখছে। তারা হয়তো একটা গাইডলাইন চাইতে পারে আমাদের কাছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন হবে, এটা ধরেই ইভিএমের নতুন প্রকল্প নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। সচিবালয় যদি দিতে পারে তবে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ভোট হবে। কারণ, কেবল অর্থ নয় সবকিছু পেলেই কেবল সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে হবে।

সাবেক এই ইসি সচিব বলেন, সরকার থেকে টাকা না দিলে আমরা সর্বোচ্চ ১৫০ আসন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু প্রকল্প পাস না হলে বা বৈশ্বিক ক্রাইসিস পরিস্থিতিতে যদি অর্থ ছাড়া না হয় কিংবা সব পেলাম কিন্তু হার্ডওয়্যার যদি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি বিদেশ থেকে না আনতে পারে তাহলে তো হবে না। তবে আমাদের যে সক্ষমতা বর্তমানে আছে, এতে ৭০-৮০টি আসনে নিশ্চিত। আমাদের যা ইভিএম আছে তা দিয়ে ৭০-৮০টাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ১৫০টি আসনের ইভিএম এভেলেবল হলে পারব। কারণ ইভিএম তো হাতে নেই। কোন কোন আসনে হবে তা এখনো ঠিক করা হয়নি। ক্রাইটেরিয়া ডিপেন্ড করবে। যেখানে ভোট হয়েছে সেসব এলাকাতেই হবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ছয়টি আসন, স্বাভাবিকভাবেই পৌর, ইউপিসহ যেসব ভোট হয়েছে সেসব এলাকাই আমলে নেওয়া হবে।

সংসদ নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ৩০০ আসনের সব কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা রাখার ইচ্ছা আছে। সিদ্ধান্ত হয়নি এখনো। সম্ভব হলে সব ভোটকক্ষেই দেব। এটা আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে দেব। কারণ সংরক্ষণ, মেরামতের বিষয় আছে। ভোটের পর তারা সিডি দেবে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যেমন দিয়েছে। সেখানে সব কিছুর রেকর্ড থাকবে।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপে টোটাল নির্বাচনী ম্যানেজমেন্ট থাকবে। ভুল থাকলে কেউ ধরিয়ে দিতে পারবে। রোডম্যাপ চূড়ান্ত। এখন প্রকাশের অপেক্ষা। প্রিন্ট হলেই প্রকাশ হবে। সচিবালয় বিষয়গুলো দেখছে।