ঢাকা মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২

Popular bangla online news portal

বহিষ্কৃত ৯ পরীক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশ


নিউজ ডেস্ক
৭:২৫ - রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২
বহিষ্কৃত ৯ পরীক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে নোটিশ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় খারিজ্জমা ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নয় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনায় লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. ইসমাইল রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নয় শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা বলা হয়েছে।


শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির, আইনজীবী মো. রোকনুজ্জামান ও নাইম সরদার ই-মেইলে এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. ইসমাইল রহমান ও খারিজ্জমা ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব নুসরাত জাহানকে ই-মেইলে এ নোটিশ পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির বলেন, পরীক্ষা শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল রহমান যথাযথ কারণ ছাড়াই খারিজ্জমা ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের নয় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করেন।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলে তিনি বহিষ্কারাদেশ পরিবর্তন করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।

হুমায়ন কবির আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে ওই নয় শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং তাদের পরিবারে গভীর হতাশা নেমে এসেছে। তাই নোটিশে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. ইসমাইল রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, নয় শিক্ষার্থীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে (শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে) এসব ব্যবস্থা না নিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সারা দেশে শুরু হয়েছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এদিন পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার খারিজ্জমা ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শুরুর পাঁচ মিনিটের মধ্যে নয় শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। ওই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন এমসিকিউ উত্তরপত্রের দুটি এবং অপরজন তিনটি বৃত্ত ভরাট করেছে। বাকি সাতজন শুধু রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ঘর পূরণ করেছে।