ঢাকা বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১, ২০২৩

Popular bangla online news portal

জেনেক্স ইনফোসিসের মুনাফা বাড়বে ৫ গুণ


নিউজ ডেস্ক
৫:২৫ - সোমবার, নভেম্বর ৭, ২০২২
জেনেক্স ইনফোসিসের মুনাফা বাড়বে ৫ গুণ

৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত বছরে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেডের মুনাফা হয়েছে ৩৮ কোটি ১৫ লাখ ১৫ হাজার ৯০৪ টাকা। আগামী বছর থেকে মূল ব্যবসার আয়ের সঙ্গে নতুন করে বছরে আরও ২১২ কোটি টাকা আয় যুক্ত হবে কোম্পানিটিতে। অর্থাৎ বিদায়ী বছরের তুলনায় সাড়ে পাঁচ গুণ মুনাফা বাড়বে কোম্পানিটির।

রোববার (৬ নভেম্বর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি।

এমন খবরে শেয়ারটির দাম একদিনে বেড়েছে ৮ টাকা ৭০ পয়সা করে। অর্থাৎ রোববার লেনদেনের শুরুতে শেয়ারটির দাম ছিল ৮৭ টাকা ৪০ পয়সা। সেই শেয়ার সর্বশেষ লেনদেন হয়েছে ৯৬ টাকা ১০ পয়সায়। শেয়ারহোল্ডারদের প্রত্যাশা, কোম্পানির মুনাফা বাড়লে আগামী বছর থেকে ভালো লভ্যাংশ পাবেন তারা। এজন্য এই কোম্পানির শেয়ার কেনার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে তাদের।

ডিএসইর তথ্য মতে, বর্তমানে কোম্পানির শেয়ার ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ শেয়ার রয়েছে। ৩০ জুন ২০২২ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জেনেক্স ইনফোসিস। এর মধ্যে ১১ শতাংশ নগদ আর ২ শতাংশ বোনাস শেয়ার। এর আগের বছর ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

এ অবস্থায় কোম্পানিটি ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) ও সেলস ডাটা কন্ট্রোলার (এসডিসি) মেশিন সরবরাহ, ব্যবহার এবং খুচরা পর্যায়ে আদায় করা ভ্যাটের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুসারে প্রতিষ্ঠানটি খুচরা প্রতিষ্ঠানে ভ্যাট যন্ত্র বিতরণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ভ্যাট আদায়ের কাজ করবে। এতে এনবিআর কোম্পানিটিকে আগামী ১০ বছরের খরচ বাবদ ২ হাজার ১২০ কোটি টাকা দেবে। তাতে জেনেক্স ইনফোসিসের প্রতি বছর ২১২ কোটি টাকা আয় হবে কোম্পানিটির।

চুক্তির শর্তানুযায়ী, প্রত্যেকটি জোনে প্রথম বছরে ন্যূনতম ২০ হাজার ইএফডি ও এসডিসি যন্ত্র স্থাপন করবে জেনেক্স ইনফোসিস। চুক্তির পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি জোনে মোট এক লাখ করে তিনটি জোনে পর্যায়ক্রমে তিন লাখ ভ্যাট যন্ত্র সরবরাহ ও স্থাপন করবে কোম্পানিটি। কোনো জোনে কাঙ্ক্ষিত নিবন্ধনযোগ্য প্রতিষ্ঠান পাওয়া না গেলে জোনের পার্শ্ববর্তী এলাকায় দরপত্রের আওতায় ভ্যাট যন্ত্র সরবরাহ ও স্থাপন কার্যক্রম বাড়ানো হবে। এসব মেশিন স্থাপন হলে অতিরিক্ত ২০ হাজার কোটি টাকা ভ্যাট আদায় হবে বলে প্রত্যাশা করছে এনবিআর।